লেখা নিয়ে লেখা

লেখা নিয়ে লেখা: আনিসুল হকআনিসুল হক বাংলা সাহিত্যের অন্যরকম একটি নাম। যেই মানুষটি কথ্যভাষাকে সাহসের সঙ্গে নাটকের ভাষায় নিয়ে এসেছেন তিনিই আনিসুল হক। এই ধরনের ভাষার নামকরণও করেছেন কেউ কেউ। কেউ বলেন, ‘ফারুকীয় ভাষা’ (আনিসুল হকের চিত্রনাট্য নিয়ে বেশ কয়েকটি নাটক নির্মাণ করেন ফারুকী। তার চরিত্রগুলোর ভাষা নিয়ে আছে ব্যাপক সমালোচনা আলোচনা। অনেকেই আইছি-করছিলাম-গেছিলাম জাতীয় ভাষাকে বলতে চান ফারুকীয় ভাষা। যদিও এটাকে ঢাকার উৎপাদন হওয়া একটি ভাষা হিসেবেই আমি বিবেচনা করি )। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত বিভিন্ন লেখা নিয়ে তাঁর একটি বই প্রকাশিত হয়েছিল ২০১১ সালে। বইটির নাম ‘লেখা নিয়ে লেখা’।

আর সেই সূত্রে আমার এই রিভিউটিকে বলতে পারেন “আলোচনা নিয়ে আলোচনা”। Continue reading

বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত জীবনী’র অসমাপ্ত রিভিউ

bangabandhu_phবঙ্গবন্ধু একজন নেতা। তিনি কোনো সাহিত্যিক কিংবা কবিও নন। তবে ৭ মার্চে ভাষণের পর তাকে কবি বলতে কারও কোনো আপত্তি থাকারো কথা নয়। কবিতার ছন্দে ৭ মার্চের ভাষণ আমাদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। তবে সাহিত্যিক এবং কবির মধ্যে একটি মিল আছে। সেই বিখ্যাত উক্তির মতো করেই বলা যায়, Political Leaders are like poets, born, not made.

যাইহোক। বঙ্গবন্ধু নিজের লেখা আত্মজীবনী নিয়ে অনেকের কথাই শুনি। মন্তব্য কার কি কিংবা কি ধরনের সে বিষয়ে আমি যাবো না। তবে তার লেখায় তিনি নিজে যে পুনরায় প্রাণ পেয়েছেন সে বিষয়ে সন্দেহ নাই।

আমার বিষয় শেখ মুজিবুর রহমান রচিত অসমাপ্ত আত্মজীবনী বইটি নিয়ে। আত্মজীবনী কেমন হয়? সে বিষয়ে বিতর্ক থাকতে পারে। আত্মজীবনী মানে নিজের ঢোলটা বেশি পেটানো। নিজেকে ফুটিয়া তোলা। নিজের ভালো দিকগুলা সবার সামনে তুলে বলা, ‘এই হইলাম আমি’। সবকিছুর উর্ধ্বে আমিই ছিলাম। আমি হইলাম আসল হিরো। 

তবে সত্যি কথা বলতে হইলো, বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীতে বঙ্গবন্ধু হিরো নন। হিরো হইলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। অধিকাংশ অধ্যায় জুড়েই সোহরাওয়ার্দীর কথাই বলতে চেয়েছেন বঙ্গবন্ধু। তার রাজনৈতিক জীবনে শহীদ সাহেবের প্রভাব যে কতটা স্পষ্ট তা বইটি পড়লেই ঝকঝক হয়ে উঠবে। Continue reading