মশিউল আলমের “পাকিস্তান”:: ইতিহাস এবং রাজনৈতিক গল্প

সাংবাদিকদের সাহিত্যে থাকে রাষ্ট্র, ইতিহাসের বিশ্লেষণ। সকল সমস্যা কিভাবে শেঁকড় বিস্তার করে সমাজের প্রতিটি রন্ধ্রে ঢুকে যায় তা খুব অসাধারণভাবে একমাত্র সাংবাদিকরাই প্রকাশ করতে পারেন। আর এর প্রমাণ পাই মশিউল আলমের গল্পগ্রন্থ “পাকিস্তান” পড়ার পর। নামটাই সকলের মনের মাঝে প্রশ্ন তৈরী করবে। যখন সারাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে হাউকাউ চলছে ঠিকই এই মুহূর্তে একটি বইয়ের নাম ‘পাকিস্তান!’

Pakistanএই গ্রন্থে প্রকাশিত হয়েছে মোট নয়টি গল্প। প্রতিটি গল্পে উঠে এসেছে রাষ্ট্র, ইতিহাস, রাজনীতি। এছাড়া সাংবাদিকতা জীবনের কয়েকটি অভিজ্ঞতাও তুলে এনেছেন মশিউল আলম। প্রথম গল্প ‘ঘোড়া’। এই গল্পে আছে এক কাল্পনিক ঘোড়ার কথা। সেই শাদা ঘোড়াটির পাখা ছিল। ঘোড়াটিকে গল্পের চরিত্রটি বারবার স্বপ্নে দেখে। ঘোড়াটি দৌড়াতো না। শুধু উড়তো। তবে লেখক খুব আশ্চর্যভাবেই বলেন যে, এই ঘোড়া নাকি তিনি স্ব-চক্ষে দেখার আগেই স্বপ্নে দেখে ফেলেছেন। ঘোড়াটি নিয়ে তিনি ঘুরে বেড়িয়েছেন ইতিহাসের নানা প্রেক্ষাপটে। নানান ঘটনায় পাখাওয়ালা ঘোড়ায় চড়ে বেড়াবে পাঠক। আবার একই ঘোড়া তার সন্তান দেখে। সন্তানও দেখে ঘোড়া উড়ছে। তাই সে তার বাবাকে বলে,

‘ঘোড়া তো পাখি না, ঘোড়ার কেন পাখা থাকবে!’ Continue reading