গল্প: অনির্দিষ্ট যাত্রা

ড্রাইভার বাসের ইঞ্জিনে স্টার্ট দিল। ঠিক তখনই পান্নু ভাইয়ের গাড়ি বগুড়ার ঠনঠনিয়ার বাস স্ট্যান্ডে থামলো। পান্নু ভাই বলল, জাহিদ দৌড় দাও। গাড়ি ছেড়ে দিবে। আমি হ্যাঁ সূচক মাথা নেড়েই বাসে লাফ দিয়ে উঠে পড়লাম। তখনই ড্রাইভার বাস টানা শুরু করলো। উঠে দেখি, ওমা! পেছনে যাওয়ার কোনো জায়গাই তো নেই। ঈদ শেষে মানুষজন ঘরে ফিরছে। সঙ্গে ডাব, নারিকেলের বস্তা। দুপাশের সিটে নিজেরা বসে মাঝখানের হাঁটার একমাত্র জায়গাটা বস্তায় ভরে গেছে। ভাবলাম, এখন বাংলা সিনেমার হিরোদের মত লাফ দেওয়া ছাড়া পেছনে পৌঁছানোর উপায় নেই। ওদিকে ফোনটাও ভাইব্রেট করছে। আমি জানি পান্নু ভাই ফোন দিচ্ছে। তারপরও ফোন না ধরেই দিলাম লাফ। এদিক সেদিক না তাকিয়েই লাফিয়ে লাফিয়ে বাসের শেষ সিটে গিয়ে পৌঁছালাম। শেষ সিটটা ছাড়া এই মুহূর্তে উপায় ছিল না। Continue reading