হিট মাহি, ফ্লপ অগ্নি-২

চলতি বছরের ঈদে তিনটি বাণিজ্যিক চলচ্চিত্র মুক্তি পেয়েছে। তার  মধ্যে জাজ মাল্টিমিডিয়ার ছবি ‘অগ্নি-২’র প্রতি আছে অধিকাংশ মানুষের আগ্রহ। তার কারণও আছে- গত বছর ‘অগ্নি (২০১৪)’ সিনেমার জনপ্রিয়তা। ‘অগ্নি’ ছবির গল্পের বুনন খুব একটা শক্ত না হলেও সেখানে দেখার মতো অনেক কিছুই ছিল। পর্দায় উপস্থাপনা, লোকেশন, ক্যামেরার কারুকাজ- সব কিছুই ছিল অসাধারণ। বাংলা সিনেমায় প্রোটোগনিস্ট (মূল চরিত্র) চরিত্রে নারীদের খুব কমই দেখা যায়।  মূল চরিত্রে নারীর ভূমিকা, তাও আবার অ্যাকশননির্ভর! এজন্যই ‘অগ্নি’ দর্শকদের নজর কেড়েছিল। তখন ছবি দেখে চোখ বন্ধ করে অনেকেই বলেছে বাংলা সিনেমায় মাহিয়া মাহির অ্যাকশন নায়িকা হিসেবে ভবিষ্যত উজ্জ্বল। Continue reading

অগ্নি: নারীর এক ভিন্ন অবয়ব

Agneeবাংলাদেশে সবাক চলচ্চিত্রের বিকাশ শুরু হয় ১৯৫০ দশকে। বাংলাদেশের ‘চলচ্চিত্রকে’ পূর্ণমাত্রা পেতে সময় লেগেছে। উইকিপিডিয়ার তথ্য থেকে জানা যায় বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক পরিবেশের সঙ্গে খাপ খেতে চলচ্চিত্রের সময় লেগেছে প্রায় ৫০ বছর। ১৯৯০ এর দশকে বাংলাদেশে প্রতি বছর গড়ে ৮০টির মত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র মুক্তি পেত। হিসেবে দেখা যায় ২০০০ সালের পর তা সংখ্যায় ১০০-তে গিয়ে ঠেকেছে।

হিসেব যদি এমন হয়, তবে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র পাড়ার পরিসরকে বেশ বড় বলেই বিবেচনা করা যায়। তবে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে গল্পের খুব একটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি। যদিও মুলধারার ব্যবসায়ীক নির্ভর সিনেমায় অনেক সময় পরিবর্তনের ছাপ লক্ষ্য করা গেছে। স্বাধীনতার পূর্বে জহির রায়হানের জীবন থেকে নেয়া চলচ্চিত্র শাসকগোষ্ঠীকে ব্যঙ্গ করে নতুন একটি স্টাইলের জন্ম দিতে সমর্থ হয়েছিল। এছাড়াও স্বাধীনতার পূর্বে কবীর চৌধুরী,সাজেদুল আওয়াল, তানভির মোকাম্মেল, মোরশেদুল ইসলাম, তারেক মাসুদ, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ভিন্নভাবে গল্প বলার চেষ্টা করেছেন এবং করছেনও। Continue reading