জনতাই আমাদের শক্তি: ইমরান

আন্দোলনের তৃতীয় দিন। দূরে ইমরান এইচ সরকার। আমি হেঁটে হেঁটে সামনে যাচ্ছি। খোচা খোচা দাঁড়ি। চোখে ক্লান্তির হালকা ছাপ আছে। বিপ্লব করতে হলে ক্লান্তি ভুলে যেতে হয়। হয়ত সবকিছু ভুলেই দাঁড়িয়ে আছে। তার সঙ্গে আমার বন্ধু শামীম। একটু এগিয়ে গিয়ে নিজের নামটা বলে হাত বাড়ালাম। অমায়িকভাবেই  উত্তরটা আমাকে চমকে দেয়। বলে বসেন, আপনাকে চিনি। নাম শুনেছি। দেখা হয়নি। 

তাৎক্ষণিকভাবে কি বলবো বুঝিনি। কিছুক্ষণ আলাপ করেই একটা সাক্ষাৎকার নেওয়ার প্রস্তাব জানাই।

তবে মূলত ৪-৫ জনের মূল উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বসে শাহবাগ প্রজন্ম চত্বরের বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা করবো বলে ভেবেছিলাম। একদিন হুট করেই বাংলানিউজের হেড অব নিউজ মেনন ভাই বলল, ইমরান এইচ সরকারের সঙ্গে বসবেন। বেশ কয়েকদিন ধরেই ইমরানের সময় পাওয়ার জন্য তার সঙ্গে কথা বলি। কিন্তু সময় তিনি বের করতে পারেন না। সারাক্ষণ চারিদিকে মানুষ। ধরলাম সবাক পাখিকে। সবাক ভাই আমাকে একটা তারিখ দিয়ে বললেন- ওইদিন চলে আসবেন। আমি ব্যবস্থা করে দিব। সবাক পাখি এ আন্দোলনের আরেক নায়ক। সে নায়কের কথা আমি পরে বলবো। যাইহোক ইমরান এইচ সরকারের সঙ্গে ১৫ মিনিট কথা বলার কথা। কিন্তু কথায় কথায় পার হয়ে গিয়েছিল ৪৫ মিনিট। মেনন ভাই, আমি মিলে অনেক না জানা প্রশ্নের উত্তর বের করার চেষ্টা করেছি। অবশ্য প্রশ্নের পুরো প্ল্যানিংটা মেনন ভাইয়ের করা। 

jibon----------105

————————————————————–

তরুণরা আসছে আলোর পথে। তাদের চেতনা জাগ্রত হচ্ছে। তারা সবাই হয়ে উঠছে নতুন শক্তি, নতুন চেতনাবোধে উদ্বুদ্ধ। তাদের হাতেই গড়ে উঠবে নতুন বাংলাদেশ। এটাই স্বপ্ন ইমরানের। দ্রুতই বললেন- স্বপ্ন নয়, এটিই এখন বাস্তবতা। দেশের তরুণ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করে। তারা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ। তারা ভবিষ্যতেও একটি প্রিয় সোনার বাংলাদেশকে দেখতে চায়। আর তার প্রমাণ শাহবাগ গণজাগরণ মঞ্চ এবং এই মঞ্চকে ঘিরে দেশজুড়ে গড়ে ওঠা হাজারো মঞ্চ। Continue reading

তোমাদের মত সুন্দর মানুষ পৃথিবীতে নাই: মুহম্মদ জাফর ইকবাল

আজ আমি এসেছি তোমাদের কাছে ক্ষমা চাইবার জন্য!

আমি পত্রিকায় লিখেছি- যে এই নতুন জেনারেশন খালি
ফেসবুকে লাইক দেয়, এরা আর কিছু করে না।
আমি লিখেছি- এরা খালি ব্লগ করে, এরা আর কিছু করে না-
এরা রাস্তায় নামে না।
তোমরা আমাকে ভুল প্রমাণিত করেছো।

এই দেখো এখানে ব্লগার রা আছে, এই ব্লগাররা
সারা পৃথিবীতে যেটা হয় নাই এরা সেইটা ঘটিয়ে দিয়েছে।
তোমাদের কাছে ক্ষমা চাই! আমাকে ক্ষমা করেছো সবাই?

আজকের মত আনন্দের দিন আমি আমার জীবনে কোনোদিন পাই নাই!!
২০১৩ সাল ১৯৭১ হয়ে গিয়েছে!! তোমরা যারা ১৯৭১ দেখো নাই
সুযোগ পেয়েছ ২০১৩ সাল কে আবার ১৯৭১ হিসেবে দেখার জন্য।

বাংলাদেশের মত সুন্দর দেশ পৃথিবীতে নাই!
উপরে তাকাও কী সুন্দর আকাশ!!
তাকাও কত সুন্দর গাছ!!
একজন আরেকজনের দিকে তাকাও কত সুন্দর মানুষ!!
তোমাদের মত সুন্দর মানুষ পৃথিবীতে নাই। Continue reading

গোলাম একটি বিস্ময়!

হুট করেই কি যেন হলো! তুরস্ক রাষ্ট্রপতি কেন নড়াচড়া শুরু করলেন সেটাও মাথায় ঢুকলো না। তিনি কেন গোলাম আযমের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে মানা করলেন সেটাই এখন ভাবনার বিষয়। তবে আমার লেখার বিষয় তুরস্ক না। আমার বিষয় মিস্টার গোলাম আযম। তার বিচার প্রক্রিয়া চলছে। যদিও ৭১ সালে কাউরে হত্যা করতে তিনি কোনো প্রক্রিয়া চালিয়েছিলেন কিনা কে জানে!

শিরোনামটা দৈনিক সংগ্রাম থেকে নেওয়া। তারা‌ পত্রিকায় একবার উল্লেখ করে, ‘আল বদর একটি নাম। একটি বিস্ময়! আল বদর একটি প্রতিজ্ঞা যেখানেই দুষ্কৃতকারী আল বদর সেখানেই। ভারতীয় চর কিংবা দুষ্কৃতকারীদের কাছে আল বদর সাক্ষাৎ আজরাইল’।

তাই আল বদর নেতা গোলাম আযম অবশ্যই একটা বিস্ময়! এই বুড়া বয়সেও তারে নিয়া বিশ্ববাসী চিন্তিত। বিরোধীদল চিন্তিত। একটা রাজাকার নিয়া তরুস্কের রাষ্ট্রপতিও চিন্তিত। যাইহোক, লেখায় চলে যাই…

শুরুতেই তার পরিচয় দেয়া দরকার। Continue reading

সংগীত দিবস চাই: দূরে

সংগীত ভালোবাসে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া খুব কঠিন। বহুদিন থেকে সহকর্মী বড় ভাই সঞ্জয়দা সংগীতের একজন মানুষের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কথা বারবারই বলছিলেন। সঞ্জয়দা’র মতে, সেই মানুষটির হাত ধরেই তরুণ প্রজন্মের অনেকেই সামনের সারিতে এসেছেন। সংগীতের জন্য তিনি উৎসর্গ করছেন জীবনের প্রতিটি সময়। মানুষটির নাম ঈশা খান দূরে।

ঈশা খান দূরে একুশে টেলিভিশন ভবনে বসেন। কি তার কাজ? এমন প্রশ্ন আমার মনে বারবারই আসে। সঞ্জয় দা বলছিলেন, সেখানে তিনি গানের ল্যাব বানিয়েছেন।

গানেরও ল্যাব হয়? সত্যিই অবাক হচ্ছিলাম। কাওরানবাজারে একুশে টিভি ভবনের লিফট দিয়ে উপরে উঠছি আর ভাবছি, আমরা সব সময়ই গায়কদের প্রতিই বেশি আকৃষ্ট হই। কিন্তু যারা এমন গায়ককে মঞ্চে সুযোগ করে দেন, তাদের কথা খুব একটা ভেবে দেখি না। ঈশা খান দূরে তেমনই একজন মানুষ। একুশে মিউজিক ল্যাবে তিনি এক ঝাঁক তরুণকে নিয়ে সংগীতের জন্য কাজ করে চলেছেন। Continue reading

জীবনের সব কাজই অসমাপ্ত থেকে যায়: ক্যাথরিন

 

১৩ আগস্ট, ২০১১। দুপুরের দিকে একটি অনলাইন পত্রিকায় দেখি “সড়ক দুর্ঘটনায় মিশুক মুনির-তারেক মাসুদ নিহত”। এই দুজন মানুষকেই সামনাসামনি দেখিনি। কথা হওয়া তো অনেক পরের কথা। মিশুক মুনিরকে চিনতাম এটিএন নিউজের প্রধান নির্বাহী হওয়ার পর থেকে। তারেক মাসুদের সঙ্গে অবশ্য অনেক আগেই ‘মুক্তির গান’ ছবি দিয়ে পরিচয়।

এক বছর পর ১১ আগস্ট ২০১২। তারেক মাসুদের বাসায় গেলাম। কখনও ভাবিওনি তার বাসায় যাওয়া হবে। তাও আবার যখন তিনি এ পৃথিবীতে নেই। আধো আলোতে ভরা ড্রয়িংরুমে গিয়ে বসলাম আমি ও বন্ধু আরমান। ক্যাথরিন তখন ফোনে কথা বলছিলেন। আমাদের দেখে ফোন কানে নিয়েই মুচকি হাসলেন। কিছুক্ষণ পরেই টিভি সাংবাদিকরা আসা শুরু করলো। তাদের কাছে ইন্টারভিউ দেওয়ার আগে বলছিলেন, একসঙ্গেই নিয়ে নেন। আরমান বলল, না অসুবিধা নেই। আমরা অপেক্ষা করছি।

অপেক্ষার পালা শেষ হলো ঘণ্টাখানেক পরে। আমরা বসলাম সামনা সামনি। কথা হলো। সকালের খবরের উদিসা ইমন আপাও ছিলেন। সেখানে যাওয়ার আগের রাত তারেক মাসুদকে নিয়ে পড়াশোনা করে গিয়েছিলাম। তার লেখা বই, পত্রিকায় বিভিন্ন সময়ে দেওয়া ইন্টারভিউ। এমনকি মুক্তির গান ও মাটির ময়নাও দেখে গিয়েছিলাম। উদ্দেশ্য একটাই সাক্ষাৎকারটা যাতে ঠিক মতো নিতে পারি। তারেক মাসুদকে বোঝার চেষ্টাও ছিল।

একজন মানুষকে কখনও বোঝা সম্ভব হয় না। শুধু তার কাজের মধ্যে মানুষটার ভালোবাসার ছাপ দেখতে পাওয়া যায়। অনুভব করা যায়।

 

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ভূমিকায় ছিলেন চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ। দুরন্ত গতিতে যখন তারেক মাসুদ তার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলেন ঠিক সেই মুহূর্তে ঘটে যায় মর্মান্তিক এক দুর্ঘটনা। ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট মানিকগঞ্জের অদূরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ ও এটিএন নিউজের প্রধান নির্বাহী মিশুক মুনীরসহ ৫ জন। Continue reading

পৃথিবীর একমাত্র সত্যি শহর ঢাকা: শংকর

বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় লেখক শংকর ২০১০ সালের ২০ অক্টোবর  ঢাকায় এসেছিলেন  ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের (আইইউবি) আমন্ত্রণে। সেবারই প্রথম বাংলাদেশে  শংকর। পুরো নাম মণিশংকর মুখার্জি হলেও কয়েক প্রজন্মের বাঙালি পাঠকের কাছে তিনি প্রিয় লেখক শংকর নামে পরিচিত। ১৯৩৩ সালে যশোরের বনগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। আইনজীবী বাবা হরিপদ মুখোপাধ্যায় ভাগ্যসন্ধানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর আগেই হাওড়ায় চলে আসেন। সেখানেই বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা এবং সাহিত্যসাধনার শুরু। জীবনের শুরুতে টাইপিস্ট, ক্লার্কসহ বিভিন্ন কাজ করেছেন। শংকরের বিখ্যাত উপন্যাস ‘চৌরঙ্গী’ নিয়ে তৈরি হয়েছে বিখ্যাত সিনেমা। সত্যজিৎ রায় তারই কাহিনী অবলম্বনে নির্মাণ করেছেন ‘জনঅরণ্য’ ও ‘সীমাবদ্ধ’র মতো চলচ্চিত্র। ইংরেজি ভাষায় তার বিখ্যাত বইগুলো অনুবাদ হতে শুরু করেছে সম্প্রতি।

২০ অক্টোবর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় আইইউবির স্থায়ী ক্যাম্পাসে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের পর শংকরের সঙ্গে কথা বলি আমরা তিনজন। মাহবুব ভাই,  বন্ধু একরামুল হক শামীম এবং আমি। সাক্ষাৎকারটি সমকালে প্রকাশিত হয়েছিল।

সাক্ষাৎকার গ্রহণ : মাহবুব মোর্শেদ, একরামুল হক শামীম ও শেরিফ আল সায়ার Continue reading

বাংলাদেশ ব্যবসা এবং আবিষ্কারে এগিয়ে যাচ্ছে: সুমাইয়া কাজী

ভূমিকা: সুমাইয়া কাজীকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কিছু নেই। বিশ্বের প্রভাবশালী নারীদের মধ্যে তার নামটি উচ্চারিত হচ্ছে। বিস্ময়করভাবেই তিনি  বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী।

হুট করেই মাথায় এলো তার একটা সাক্ষাৎকার নেওয়া যেতে পারে। বাংলাদেশ নিয়ে তার ভাবনাগুলো জানতে ইচ্ছে হলো। সেজন্যই  এ বছরের জুন মাসের ১৮ তারিখ সুমাইয়ার সঙ্গে ই-মেইলে যোগাযোগ করি। 

রিপ্লাই পেয়ে যাই। তিনি প্রশ্ন পাঠাতে বলেন। আমি প্রশ্ন পাঠাই। উত্তরের জন্য দীর্ঘসময় আমাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে। ব্যস্ততায় তিনি উত্তর লিখার জন্য বসতে পারছিলেন না। যাইহোক, অবশেষে উত্তর দিলেন। তবে জুড়ে দিলেন শর্ত। সবগুলো উত্তর অনুবাদ করে প্রকাশের পূর্বে তাকে পাঠাতে হবে। নীতিগতভাবে আমি স্বচ্ছ থাকার চেষ্টা করেছি। তাই অনুবাদ করে পাঠালাম। এরপর আবার দীর্ঘ সময়। শেষমেষ  ৪ সেপ্টেম্বর তিনি প্রকাশের অনুমতি দিলেন। জুন-সেপ্টেম্বর সময়টা খুব বেশি। তারপরও পৃথিবীর প্রভাবশালী ব্যক্তি বলে কথা! একটু সময় লাগলেও তার সাক্ষাৎকার নিতে পেরে অনুভূতিটা মন্দ না। তারপরও শুরুতে আমার ইচ্ছে ছিল উত্তরগুলোর পর নতুন করে আরও কিছু প্রশ্ন করার। কিন্তু সময়টা এতো বেশি লাগছিল যে সে সাহস আর করিনি।  

 

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের মধ্যে বার্তা সংস্থা ‘রয়টার্স’ এবং মার্কেট গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ক্লাউড’ সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি জরিপ পরিচালনা করে। এ তালিকায় ৬৭ নম্বর পেয়ে ১৭তম স্থান অধিকার করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সুমাইয়া কাজী। Continue reading

মীরাক্কেলের ইয়াফির সঙ্গে আলাপ

আমি মীরাক্কেলের ফ্যান হয়েছি ২০১১ সাল থেকে। তার আগে কোনো পর্বই দেখি নাই। তাই ইয়াফির ভাইয়ের পারফর্মমেন্স দেখার সৌভাগ্য হয়নি। তবুও গতবছর গ্রামীণফোন আফিসে  (বর্তমানে তিনি এয়ারটেলে আছেন)যখন তার সঙ্গে কথা হচ্ছিল তিনি আমাকে কৌতুক বলেই যাচ্ছিলেন। কথার ফাঁকে ফাঁকে কৌতুক। সময়টা বেশ যাচ্ছিল। ইয়াফি ভাই প্রাই আমাকে একটা এসএমএস দেন। যখনই তার কোনো অনুষ্ঠান থাকে তখন সেই ম্যাসেজটা পাঠান। ম্যাসেজ দেখে মনে হয়, লোকটা এতো ভালো কেন? যখন আমি কোনো অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় করে উঠতে পারি না।,তখন নিশ্চয়  ইয়াফি ভাই মনে মনে বলেন, শেরিফ এতো খারাপ কেন? যাইহোক। ইয়াফি ভাইয়ের জয় হোক।

————————

কাউকে যদি প্রশ্ন করা হয়, পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজ কোনটি? অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উত্তর আসবে, মানুষ হাসানো!। মানুষ হাসিয়ে হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়াকে অনেকেই পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন বলে মনে করেন। জি বাংলার কমেডি শো মীরাক্কেলের মোশাররফ আলম খান ইয়াফিও তাই মনে করেন। Continue reading

প্রয়োজন একজন নেতা: অধ্যাপক মঈনউদ্দিন

আশা ইউনিভার্সিটি শ্যামলীতে বিশাল বিল্ডিং নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আমার বাসার কাছেই। প্রতিদিন যাই আর হা করে তাকিয়ে বিল্ডিংটা দেখি। একদিন ভাবলাম ভেতরে যাওয়া উচিত। গেলাম। ঘুরলাম। আরেকদিন ভাবলাম এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে একটু কথা বললে খারাপ হয় না। কথা বললাম। শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আমার আগ্রহের শেষ নেই। সেই বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে গেলাম।

লোকটা এতো অমায়িক যে ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। শুরুতে আমাকে “আপনি” করে বলছিলেন। হুট করেই বললেন, “তোমাকে  ‘তুমি’ করে বলতে চাই। কারণ অপরিচিত কাউকে যদি আমার ভালো লাগে তখন তাকে আমি তুমি করে বলি। ” আমি বললাম, “স্যার আপনি আমাকে তুই করেও বলতে পারেন। কারণ, যাদের আমার ভালো লাগে তারা আমাকে তুই বললে খুব ভালো লাগে।” উনি মুচকি হাসলেন। আমিও মুচকি হাসলাম। তারপর আবার কথার ভেতর চলে গেলাম।   Continue reading

দক্ষতাই নেতৃত্বের শক্তি: ইজাজ

বাংলাদেশে নেতৃত্বের অভাব। এ নিয়ে আমরা কথা বলি। আলোচনাও করি। কিন্তু কখনো শুনতে পাইনি কেউ নেতৃত্ব তৈরিতে কাজ করে। বেশ কয়েক মাস আগে জানতে পারি বাংলাদেশে একটি মাত্র প্রতিষ্ঠান যারা নেতৃত্ব তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির নাম বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশিপ সেন্টার। তবে নেতৃত্ব মানেই রাজনৈতিক নেতৃত্ব নয়। দেশকে গড়তে হলে নিজের জায়গা থেকেই গড়া যায়। এমনটাই মনে করে বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশিপ সেন্টার।

হার্ভার্ড থেকে পড়াশোনা শেষ করা ইজাজ আহমেদ এই প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তার হাত ধরেই ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশিপ সেন্টার। তার সংগ্রাম চলছে দেশের তরুণদের দক্ষ করে গড়ে তোলার। মেধাবী ইজাজ তার নিজস্ব অফিসে কথা বলেছেন সময় নিয়ে। জানিয়েছেন তার স্বপ্নের কথা। বলেছেন কেন তিনি এমন একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুললেন।

আমরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কথা শুনতে পাইকিন্তু নেতৃত্ব তৈরির করার প্রতিষ্ঠান এটিই প্রথমএমন একটি উদ্যোগের ভাবনা কিভাবে আসলো?  Continue reading