প্রতিটি নারীর জীবন এখনও ‘আন্ডার কনস্ট্রাকশন’

আন্ডার কন্সট্রাকশানক্যামেরা যখন নারীর দিকে:

বিশ্বব্যাপী নির্মিত ছবিগুলোতে নারীর প্রকৃত অবয়ব যেন অনেকটা আড়ালেই থেকে যায়। তার সংগ্রাম, চিন্তার গভীরতার চেয়ে স্ক্রিনে উঠে আসে তার গ্ল্যামার। অথচ নারীর যে আরও বহু পরিচয় আছে, সে গল্প বলবে কে? নারীর সেসব বয়ান নিয়েই হাজির হয়েছেন রুবাইয়াত হোসেন। অধিকাংশ চলচ্চিত্রে যেমন পরিচালকের ক্যামেরা থাকে পুরুষের ওপর। নারীর ভাবনা, তার সংগ্রামের চিত্র উঠেই আসে না। সেখানে রুবাইয়াত নিলেন ইউটার্ন। তিনি ঘরের সেই নারীর দিকেই ক্যামেরা ধরলেন। আবিষ্কার করে দেখার চেষ্টা করলেন নারীর পরিচয়। যেন সারাক্ষণ তার প্রশ্ন, নারী তুমি কে? কি চাও তুমি?

Continue reading

প্রেম-বিপ্লব-সম্পর্কের টেলিভিশন

বাংলাদেশের গ্রামের মানুষের মন কেমন? এ প্রশ্নের উত্তরে প্রথম যে কথাটি উঠে আসবে, সেটি হলো- গ্রামের মানুষের মন ধর্মভীরু। আর এই ধর্মভীরু মানুষের মন নিয়েই মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ছবি ‘টেলিভিশন’।

televisionতবে ধর্ম বিষয়টা স্পর্শকাতর। এ বিষয়ে খুব বেশি উচ্চবাচ্য করা কঠিন। এজন্যই নির্মাতা খুব কোমলভাবেই ধর্ম নিয়ে কাজ করেছেন। এদেশে ঘটে যাওয়া অসংখ্য ঘটনাকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন ফারুকী। ছবির শুরুতেই পত্রিকার পাতায় নারীদের ছবিগুলোকে শাদা কাগজে ঢেকে দিচ্ছেন একজন মানুষ। কিন্তু মনের চাহিদা মেটাতে উঁকি দিয়ে ঠিকই ছবি দেখে মন ভরাচ্ছেন। অন্যদিকে এ পত্রিকার পাঠক আমিন চেয়ারম্যানের সামনে মাইক হাতে সাংবাদিক। দুজনের মাঝখানে বিশাল শাদা কাপড়। কারণ সাংবাদিক একজন নারী।

কোনো নারীর সামনে আমিন চেয়ারম্যান আসবেন না। এভাবেই গল্পের শুরু। যে গল্পে বলা হয় পানিঘেরা গ্রামের গল্প। যে গ্রামে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগাতে দেন না চেয়ারম্যান। ধর্মীয় বিশ্বাসকে টিকিয়ে রাখতে তার আপ্রাণ চেষ্টা। যে চেষ্টায় গ্রামে তরুণদের হাতে পৌঁছায়নি মোবাইল ফোন এবং কারও ঘরে নেই টেলিভিশন। Continue reading